CHAT WITH ME

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলায় বখাটেরা পিটিয়ে সপ্তম শ্রেণিপড়ুয়া এক ছাত্রীর বাবার দু'পা ভেঙে দিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
 
রোববার সকালে উপজেলার কামারোল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন মেয়েটির বাবা সাহাবুদ্দিন মোল্লা (৫০)। এ সময় মেয়েটির দুই ভাইও আহত হয়েছে বলে জানান তিনি।
 
সাহাবুদ্দিন ও তার বড় ছেলে রাসেল মোল্লাকে (২৪) গোপালগঞ্জ আড়াই শ' শয্যা জেনারেল হাসাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার ছোট ছেলে কলেজছাত্র তাজুল মোল্লাকে (১৮) প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
 
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সাহাবুদ্দিন মোল্লা বলেন, 'আমার সপ্তম শ্রেণিপড়ুয়া মেয়েকে প্রতিবেশী মৃত ফায়েক মোল্লার ছেলে সুজন মোল্লা প্রায়ই উত্ত্যক্ত করে আসছিল। গত ৩০ মে মেয়েটি বাড়িতে একা ছিল। এ সুযোগে সুজন আমার মেয়ের রুমে ঢুকে তার শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে। সে চিৎকার করলে সুজন পালিয়ে যায়। ঈদের ছুটিতে বাড়িতে এসে গত শনিবার বিকেলে তিলছড়া বাজারে সুজনকে আমার ছেলেরা চড়-থাপ্পড় মারে।'
 
তিনি আরও বলেন, 'এ ঘটনায় সুজন ক্ষিপ্ত হয়। রোববার সকালে আমি বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় সুজন এবং তার ভাই রাজীব, বিপ্লবসহ কয়েক জন লাঠিসোটা নিয়ে অতর্কিতে আমার ওপর হামলা চালায়। তারা পিটিয়ে আমার দু'পা ভেঙে দেয়। এসময় চিৎকার শুনে আমার দু'ছেলে রাসেল ও তাজুল আমাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসে। হামলাকারীরা তাদেরকেও পিটুনি দেয়।'
 
গোপালগঞ্জ আড়াইশ' শয্যা জেনারেল হাসপাতালের অর্থোপেডিক্স বিভাগের চিকিৎসক হুমায়ূন কবির জানিয়েছেন, পিটুনিতে সাহাবুদ্দিন মোল্লার দু'পা ভেঙে গেছে।
 
কাশিয়ানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, এ ব্যাপারে এখনও পর্যন্ত কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে তদন্ত না করে তা বলা যাচ্ছে না।
 
তবে অভিযোগ পেলে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান ওসি মনিরুল।

Advertisement

0 comments:

Post a Comment

 
Top